ছবিঃ সংগৃহীত
যৌথ বিবৃতি
বাংলাদেশে আদিবাসী পরিচয় অস্বীকারকারী মন্ত্রীদের বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করেছে CHTC ও IWGIA
কাভার স্টোরি ডেস্ক
প্রকাশ: ১৬ আগস্ট ২০২৬, ০৯:০৬ পিএম
১৩ আগস্ট ২০২৬ | ইন্টারন্যাশনাল চিটাগাং হিল ট্র্যাক্টস কমিশন (CHTC) এবং ইন্টারন্যাশনাল ওয়ার্কিং গ্রুপ ফর ইন্ডিজেনাস অ্যাফেয়ার্স (IWGIA) ঢাকায় ১১ আগস্ট ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত “বাংলাদেশের জন্য আদিবাসী পরিচয় অপ্রাসঙ্গিক” শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ এবং তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনের দেওয়া বক্তব্য নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছে।
গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন যে, বাংলাদেশে কোনো আদিবাসী জনগোষ্ঠী নেই; সকল নাগরিককে কেবল “বাংলাদেশি” হিসেবে পরিচয় দেওয়া উচিত; এবং জাতিসংঘের আদিবাসী জনগণের অধিকারবিষয়ক ঘোষণাপত্র (UNDRIP) ও আইএলও কনভেনশন নং ১৬৯ বাংলাদেশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। একইভাবে, তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী দাবি করেন যে, বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে “আদিবাসী” শব্দটি অপ্রাসঙ্গিক।
এ ছাড়া, বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক প্রধান প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম অত্যন্ত উসকানিমূলক বক্তব্য দেন এবং উল্লেখ করেন যে, আদিবাসী পরিচয়ের স্বীকৃতি দিলে পার্বত্য চট্টগ্রামের (CHT) ওপর রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ণ হবে এবং দেশের এক-দশমাংশ ভূখণ্ড হাত ছাড়া হবে।
CHTC এবং IWGIA দ্ব্যর্থহীনভাবে আদিবাসী পরিচয় অস্বীকারের বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করছে। এ ধরনের দাবি শুধু তথ্যগতভাবে ভুলই নয়, বরং ক্ষতিকরও; কারণ এর মাধ্যমে বাংলাদেশে বসবাসকারী আদিবাসী জনগণের স্বতন্ত্র পরিচয় এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত অধিকারকে অস্বীকার করা হয়। এ ধরনের দাবি পার্বত্য চট্টগ্রাম (CHT) ও বাংলাদেশের সমতল উভয় অঞ্চলের আদিবাসী জনগণের ইতিহাস, আত্মপরিচয়, ভূমির সঙ্গে তাদের পূর্বপুরুষদের ঐতিহাসিক সম্পর্ক, স্বতন্ত্র ভাষা, প্রথাগত আইন, নিজস্ব প্রতিষ্ঠান এবং জীবন-অভিজ্ঞতাকে উপেক্ষা করে।

CHTC এবং IWGIA জোর দিয়ে বলছে যে, আদিবাসী পরিচয় এবং বাংলাদেশি নাগরিকত্ব পরস্পরবিরোধী নয়। বাংলাদেশের আদিবাসী জনগণ একই সঙ্গে রাষ্ট্রের নাগরিক এবং স্বতন্ত্র আদিবাসী জনগোষ্ঠীর সদস্য। জাতিসংঘের আদিবাসী জনগণের অধিকারবিষয়ক ঘোষণাপত্রের (UNDRIP) ৩৩ নম্বর অনুচ্ছেদে যেমন স্বীকৃত হয়েছে, নাগরিকত্বের ওপর কোনো ধরনের নেতিবাচক প্রভাব না ফেলে “আদিবাসী জনগণের নিজেদের পরিচয় নির্ধারণ করার অধিকার রয়েছে।” আদিবাসী পরিচয়ের স্বীকৃতি জাতীয় ঐক্যকে দুর্বল করে না এবং বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব, জাতীয় নিরাপত্তা বা ভৌগোলিক অখণ্ডতার জন্যও কোনো হুমকি সৃষ্টি করে না।
আদিবাসী পরিচয়ের প্রতি সম্মান প্রদর্শন সকল জনগোষ্ঠীর মর্যাদা, অধিকার ও পরিচয়কে স্বীকৃতি দেওয়ার মাধ্যমে জাতীয় ঐক্য, অন্তর্ভুক্তি এবং একটি নিরাপদ ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজকে শক্তিশালী করে।
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রীর বক্তব্য আদিবাসী জনগণের ধারণাটি কেবল যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের মতো দেশগুলোর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য আন্তর্জাতিক আইন ও আন্তর্জাতিক চর্চার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। এশিয়া, আফ্রিকা, প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল এবং আর্কটিকসহ বিশ্বের সব অঞ্চলে আদিবাসী জনগণ বসবাস করে। আদিবাসী পরিচয় নির্ধারণের ক্ষেত্রে আত্মপরিচয়, ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতা, স্বতন্ত্র সামাজিক, সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান এবং ভূমি ও ভূখণ্ডের সঙ্গে দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্কসহ বিভিন্ন বিষয় বিবেচনা করা হয়। আদিবাসী পরিচয় কেবল কারা কোনো ভূখণ্ডে প্রথমে এসেছিল এমন ধারণার ভিত্তিতে নির্ধারিত হয় না; একইভাবে, রাষ্ট্রও একতরফাভাবে এই পরিচয় নির্ধারণ করতে পারে না।
মন্ত্রীদের বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক বাধ্যবাধকতা সম্পর্কে করা বক্তব্যও অসম্পূর্ণ ও বিভ্রান্তিকর। বাংলাদেশ আইএলও কনভেনশন নং ১৬৯ অনুসমর্থন না করলেও, দেশটি আইএলও আদিবাসী ও ট্রাইবাল জনগোষ্ঠী কনভেনশন, ১৯৫৭ (নং ১০৭) অনুসমর্থন করেছে, যা এখনো বাংলাদেশের জন্য আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক। ফলে, আদিবাসী ও ট্রাইবাল জনগণের সুরক্ষা, তাদের পরিচয়, সংস্কৃতি, প্রতিষ্ঠান এবং ঐতিহ্যগতভাবে মালিকানাধীন ভূমির ওপর তাদের অধিকারসহ বিভিন্ন বিষয়ে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক বাধ্যবাধকতা এখনো বহাল রয়েছে।
কনভেনশন নং ১৬৯ অনুসমর্থন করা হয়নি এই কারণ দেখিয়ে এসব বাধ্যবাধকতা উপেক্ষা করা যায় না। এ ধরনের আচরণ নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকারবিষয়ক আন্তর্জাতিক চুক্তি (ICCPR) এবং অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অধিকারবিষয়ক আন্তর্জাতিক চুক্তি (ICESCR)-এর অভিন্ন ১ নম্বর অনুচ্ছেদের সঙ্গেও অসঙ্গতিপূর্ণ। বাংলাদেশ উভয় চুক্তিই অনুসমর্থন করেছে। এসব চুক্তিতে আদিবাসী জনগণসহ সকল জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার স্বীকৃত হয়েছে।
এ ধরনের অস্বীকৃতি বাংলাদেশের নিজস্ব অঙ্গীকার, আইনগত ও নীতিগত দায়িত্বের সঙ্গেও অসামঞ্জস্যপূর্ণ। বাংলাদেশের সংবিধানের ২৩ক অনুচ্ছেদে স্বতন্ত্র সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যসম্পন্ন জনগোষ্ঠীর অস্তিত্বকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে এবং রাষ্ট্রকে তাদের স্বতন্ত্র সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও বিকাশের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। যদিও আদিবাসী জনগণ ধারাবাহিকভাবে “উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃগোষ্ঠী ও সম্প্রদায়”-এর মতো আরোপিত ও অবমাননাকর শ্রেণিবিভাগ প্রত্যাখ্যান করে আসছে, তবুও সংবিধানের এই বিধান বাংলাদেশে কোনো স্বতন্ত্র জনগোষ্ঠী বা সম্প্রদায়ের অস্তিত্ব নেই এমন দাবির সঙ্গে স্পষ্টতই সাংঘর্ষিক।
বাংলাদেশের বিভিন্ন আইন ও নীতিতেও আদিবাসী জনগণ ও সম্প্রদায়ের উল্লেখ রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে অর্থ আইন, ১৯৯৫ (১৯৯৫ সালের ১২ নং আইন) এবং আয়কর আইন, ২০২৩-এ ব্যবহৃত “indigenous hillman” (আদিবাসী পাহাড়ি জনগণ) শব্দবন্ধ; দ্রুত দারিদ্র্য হ্রাসের জন্য জাতীয় কৌশলপত্র দ্বিতীয় পর্ব, ২০০৯-এ ব্যবহৃত “indigenous communities” (আদিবাসী সম্প্রদায়) এবং জাতীয় শিক্ষানীতি, ২০১০-এ ব্যবহৃত “indigenous and small ethnic groups” (আদিবাসী ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী) শব্দবন্ধ।
এ ছাড়া, বাংলাদেশ আদিবাসী জনগণের অধিকার-সংশ্লিষ্ট বিধানসম্বলিত বেশ কয়েকটি বাধ্যতামূলক আন্তর্জাতিক চুক্তি অনুসমর্থন করেছে। এর মধ্যে রয়েছে শিশু অধিকারবিষয়ক কনভেনশন (CRC), নারীর প্রতি সব ধরনের বৈষম্য বিলোপবিষয়ক কনভেনশন (CEDAW), জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন (UNFCCC) এবং জীববৈচিত্র্যবিষয়ক কনভেনশন (CBD)। এটি গভীরভাবে উদ্বেগজনক যে, বর্তমান সরকারের কিছু সদস্যের দেওয়া বক্তব্য বাংলাদেশের নিজস্ব আইন, নীতি এবং দীর্ঘদিনের অঙ্গীকারের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ বলে প্রতীয়মান হচ্ছে। আমরা স্মরণ করি যে, বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং দীর্ঘদিন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারপার্সন প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়া বহুবার প্রকাশ্যে বাংলাদেশের আদিবাসী জনগণকে “আদিবাসী” হিসেবে উল্লেখ করেছেন। এর মধ্যে বিশ্বের আদিবাসী জনগণের আন্তর্জাতিক দিবস উপলক্ষে দেওয়া তাঁর বিভিন্ন বার্তাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
এ ছাড়া, ১৯৯৭ সালের পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি (CHT Accord) পার্বত্য চট্টগ্রামের বিশেষ বৈশিষ্ট্যকে স্বীকৃতি দিয়েছে এবং অঞ্চলটিকে ট্রাইবাল জনগোষ্ঠী অধ্যুষিত এলাকা হিসেবে উল্লেখ করেছে। একই সঙ্গে, এর স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য সংরক্ষণ ও সুরক্ষার প্রয়োজনীয়তাও স্বীকার করা হয়েছে। আদিবাসী পরিচয়কে অব্যাহতভাবে অস্বীকার করা শুধু চুক্তিটির চেতনাকেই দুর্বল করে না, বরং শান্তি প্রক্রিয়ার প্রতি আস্থাও ক্ষুণ্ন করে এবং চুক্তি ও বাংলাদেশ যে আন্তর্জাতিক চুক্তিগুলোর পক্ষভুক্ত, সেগুলোর অধীনে সরকারের অঙ্গীকার ও দায়িত্ব থেকে সরকারকে আরও দূরে সরিয়ে দেয়।

আদিবাসীদের অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিকে কোনো ষড়যন্ত্র বা “পূর্বপরিকল্পিত ফাঁদ” হিসেবে আখ্যায়িত করাও উদ্বেগজনক। এ ধরনের বক্তব্য বৈধ অধিকার আদায়ের এডভোকেসি বা প্রচারে যুক্ত আদিবাসী জনগণ, মানবাধিকারকর্মী, সাংবাদিক, গবেষক এবং নাগরিক সমাজের সংগঠনগুলোকে কলঙ্কিত করার ঝুঁকি তৈরি করে। একই সঙ্গে, এটি এমন এক ভয় ও বিদ্বেষের পরিবেশ সৃষ্টি করতে পারে, যা নাগরিক পরিসরকে সংকুচিত করে এবং ভয়ভীতি প্রদর্শন, নজরদারি ও প্রতিশোধমূলক কর্মকাণ্ডের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।
CHTC এবং IWGIA বাংলাদেশ সরকারের প্রতি নিম্নোক্ত আহ্বান জানাচ্ছে:
● বাংলাদেশে আদিবাসী জনগণের অস্তিত্ব ও পরিচয় অস্বীকার করে মন্ত্রীরা যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা প্রত্যাহার অথবা স্পষ্টীকরণ করতে হবে;
● আদিবাসী জনগণের আত্মপরিচয়ের অধিকারকে সম্মান করতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট জনগণ যে পরিভাষাকে অবমাননাকর মনে করে এবং ইতোমধ্যে প্রত্যাখ্যান করেছে, সেই পরিভাষা তাদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে;
● সরকারি কর্তৃপক্ষ ও গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানগুলোকে “Indigenous Peoples” বা “Adibashi” শব্দ ব্যবহার না করার জন্য কোনো নির্দেশনা দেওয়া বা তাদের ওপর চাপ প্রয়োগ করা যাবে না;
● শান্তিপূর্ণভাবে আদিবাসীদের অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিকে রাষ্ট্রবিরোধী, ষড়যন্ত্রমূলক কিংবা জাতীয় ঐক্য বা সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি হিসেবে উপস্থাপনকারী বক্তব্য ও প্রচারণা বন্ধ করতে হবে;
● পার্বত্য চট্টগ্রাম (CHT) ও সমতল উভয় অঞ্চলের আদিবাসী জনগণের প্রতিনিধিত্বকারী প্রতিষ্ঠান ও সংগঠন, নারী, যুবসমাজ এবং অধিকারকর্মীদের সঙ্গে অর্থবহ সংলাপ শুরু করতে হবে;
● আইএলও কনভেনশন নং ১০৭ এবং বাংলাদেশের অন্যান্য আন্তর্জাতিক মানবাধিকার চুক্তির অধীনে থাকা বাধ্যতামূলক অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করতে হবে; জাতিসংঘের আদিবাসী জনগণের অধিকারবিষয়ক ঘোষণাপত্র (UNDRIP) আন্তরিকতার সঙ্গে বাস্তবায়ন করতে হবে এবং আইএলও কনভেনশন নং ১৬৯ অনুসমর্থনের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে; এবং
● পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির (CHT Accord) পূর্ণাঙ্গ ও কার্যকর বাস্তবায়নের জন্য একটি সুস্পষ্ট ও সময়সীমাবদ্ধ রোডম্যাপ গ্রহণ করতে হবে। এর মধ্যে কার্যকর ও পর্যাপ্ত ক্ষমতাসম্পন্ন পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি কমিশনের মাধ্যমে ভূমিবিরোধ নিষ্পত্তি এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের সামরিকীকরণ অবসানের বিষয়ও অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে।
আমরা পুনর্ব্যক্ত করছি যে, আদিবাসী জনগণের স্বীকৃতি বাংলাদেশকে বিভক্ত করবে না। বরং তাদের পরিচয়কে বারবার অস্বীকার করা, বৈষম্য ও দমন-পীড়নই বিভাজন সৃষ্টি করতে পারে। একটি গণতান্ত্রিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হলে দেশের ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের স্বীকৃতি, সমতা, পারস্পরিক আস্থা ও সম্মানের ভিত্তিতে সেই বাংলাদেশ নির্মাণ করতে হবে।
মন্তব্য করুন

