শেষ বাঁশির পরও যে বিশ্বকাপ বেঁচে থাকবে
চিররঞ্জন সরকার
প্রকাশ: ২০ জুলাই ২০২৬, ১০:১৬ এএম
ফুটবল যে কতটা পরিকল্পিত, শিল্পিত ও ছন্দবদ্ধ হতে পারে, তা আজকের ফাইনালে স্পেন আবারও প্রমাণ করল। তাদের অপ্রতিরোধ্য পারফরম্যান্সের সামনে আর্জেন্টিনা অনেকটাই নিষ্প্রভ মনে হয়েছে। সেমিফাইনালে যে কৌশলে তারা ফ্রান্সকে কার্যত নিষ্ক্রিয় করে রেখেছিল, ফাইনালেও সেই একই পরিকল্পনা নিখুঁতভাবে বাস্তবায়ন করেছে। স্পেনের দক্ষতা, কৌশল এবং দলগত সমন্বয়—সবকিছুই আজ ছিল অনন্য। তবে স্পেন যতগুলো সুযোগ সৃষ্টি করেছিল, তাতে ৫-৬ গোলে জেতাটা অস্বাভাবিক ছিল না। কিন্তু গোল রক্ষক মার্টিনেজের ‘দানবীয় প্রাচীর হয়ে দাঁড়ানো আর স্পেনের ফরোয়ার্ডদের সঠিক নিশানায় বল পাঠানোর ব্যর্থতার কারণে সেটা হয়নি।
শেষ পর্যন্ত অতিরিক্ত সময়ের ১০৬ মিনিটে ফেরান তোরেসের দেওয়া একমাত্র গোলে স্পেন জিতে দ্বিতীয় বারের মতো বিশ্বকাপ শিরোপা জিতেছে।
অন্যদিকে, আর্জেন্টিনা আগের ম্যাচগুলোতে শেষ পনেরো মিনিটের দুর্দান্ত ঝলকে বারবার ম্যাচের মোড় ঘুরিয়েছিল। কিন্তু আজ সেই কৌশল আর কাজে লাগেনি। আজ যেন মেসির জাদুও অনুপস্থিত ছিল। আর্জেন্টিনা আজ অনেকটাই গায়ের জোরে খেলেছে। এ ছাড়া অবশ্য স্পেনের খেলোয়ারদের আটকানোর অন্য কোনো টোটকা তাদের জানা ছিল না!
আসলে সব তিরে শিকার বিদ্ধ হয় না। আজকের দিনটি ছিল স্পেনের। যোগ্য দল হিসেবেই তারা শিরোপা জিতেছে।
স্পেনকে আন্তরিক অভিনন্দন।
আর আর্জেন্টিনাকেও শুভকামনা। শিরোপা না জিতলেও তারা এবারের আসরে বেশ কয়েকটি স্মরণীয় ও উপভোগ্য ম্যাচ উপহার দিয়েছে।
২০২৬ সালের বিশ্বকাপ শুধু একটি ফুটবল টুর্নামেন্ট ছিল না; এটি ছিল বিশ্ব ফুটবলের নতুন যুগে প্রবেশের ঘোষণা। ৯৬ বছরের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ৪৮ দলের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এই বিশ্বকাপ শুরুর আগে যতটা সংশয় ছিল, শেষ হওয়ার পর তার চেয়ে অনেক বেশি বিস্ময়, রোমাঞ্চ আর নতুন সম্ভাবনার গল্প রেখে গেল। দল বাড়লে প্রতিযোগিতার মান কমবে, এই ধারণা ভুল প্রমাণ করে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর বিশ্বকাপ হয়ে উঠেছে ইতিহাসের সবচেয়ে বৈচিত্র্যময়, সবচেয়ে অনিশ্চিত এবং সম্ভবত সবচেয়ে অন্তর্ভুক্তিমূলক বিশ্বকাপ। সবচেয়ে বেশি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচের বিশ্বকাপও।
এই বিশ্বকাপের সবচেয়ে বড় বার্তা এসেছে শক্তির নতুন ভারসাম্য থেকে। ইউরোপ শেষ পর্যন্ত আবারও শিরোপা জিতেছে, কিন্তু টুর্নামেন্টের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অর্জন ছিল আফ্রিকার উত্থান। ২০২২ সালে মরক্কোর সেমিফাইনালে ওঠাকে অনেকে ব্যতিক্রম বলে উড়িয়ে দিয়েছিলেন। এবার মরক্কো, সেনেগাল, দক্ষিণ আফ্রিকা, মিসর, ঘানা ও কঙ্গোর পারফরম্যান্স দেখিয়ে দিল, আফ্রিকার উন্নতি আর কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; এটি দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ, উন্নত একাডেমি, কৌশলগত প্রস্তুতি এবং আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতার স্বাভাবিক ফল। আগামী বিশ্বকাপগুলোতে শিরোপার লড়াইয়ে আফ্রিকার দলগুলোকে আর ‘ডার্ক হর্স’ বলা যাবে না।
ছবি: আফ্রিকার দেশগুলো এবারের আসরে চমক দিয়েছেতবে পুরো আসরের সবচেয়ে বড় রূপকথা লিখেছে আটলান্টিকের ছোট্ট দ্বীপরাষ্ট্র কেপ ভার্দে। জনসংখ্যা মাত্র ছয় লাখের কাছাকাছি, অথচ বিশ্বকাপের মঞ্চে তারা সাহস, শৃঙ্খলা আর আত্মবিশ্বাস দিয়ে কোটি মানুষের হৃদয় জয় করে নিয়েছে। অভিষেক ম্যাচেই স্পেনকে গোলশূন্য ড্রয়ে আটকে দেওয়া, নকআউটে জায়গা করে নেওয়া এবং শেষ ষোলোয় আর্জেন্টিনাকে ১২০ মিনিট পর্যন্ত চরম পরীক্ষার মুখে ফেলে দেওয়া, সব মিলিয়ে কেপ ভার্দে এবারের বিশ্বকাপের সবচেয়ে অনুপ্রেরণার নাম।
ছবি: এবার বিশেষভাবে নজর কেড়েছে কেপ ভার্দেবিশেষ করে ৪০ বছর বয়সী গোলরক্ষক ভোজিনহা যেন বিশ্বকাপের নতুন লোককাহিনির নায়ক। স্পেনের বিপক্ষে সাতটি এবং আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ১০টি সেভ, মেসির একাধিক নিশ্চিত গোল ফিরিয়ে দেওয়া এবং বিশ্বজুড়ে রাতারাতি তারকাখ্যাতি—তিনি প্রমাণ করেছেন, ফুটবলে কখনও কখনও একটি মানুষই একটি জাতির প্রতীক হয়ে উঠতে পারেন। টুর্নামেন্টের আগে ইনস্টাগ্রামে যার ফলোয়ার ছিল ৪৬,০০০, শেষ নাগাদ তা বেড়ে দাঁড়ায় প্রায় ২.৬ কোটি। ভোজিনহা ফুটবল ইতিহাসে 'আন্ডারডগ' হওয়ার নতুন সংজ্ঞা তৈরি করেছেন।
রোমাঞ্চের দিক থেকেও এই বিশ্বকাপ ছিল ব্যতিক্রম। আর্জেন্টিনা–কেপ ভার্দের নাটকীয় লড়াই, নরওয়ের কাছে ব্রাজিলের বিদায়, বেলজিয়াম–সেনেগালের গোলবন্যা, জার্মানিকে টাইব্রেকারে হারিয়ে প্যারাগুয়ের অগ্রযাত্রা কিংবা মরক্কোর কাছে নেদারল্যান্ডসের বিদায়, প্রতিটি পর্বেই ছিল চমক। এই বিশ্বকাপ যেন শেষ বাঁশি বাজার আগ পর্যন্ত কোনো ফলকেই নিশ্চিত বলে মানতে রাজি ছিল না।
পুরো টুর্নামেন্টে ইউরোপীয় ফুটবলের আধিপত্যও ছিল স্পষ্ট। স্পেনের টিকি-টাকা দর্শনের আধুনিক সংস্করণ, দ্রুত পাস, হাই প্রেসিং এবং তরুণদের ওপর আস্থা তাদের অন্য সবার থেকে আলাদা করেছে। টানা ৩৭ ম্যাচ অপরাজিত থেকে তারা ফাইনালে ওঠে। অন্যদিকে ফ্রান্স ও ইংল্যান্ডও ধারাবাহিক পারফরম্যান্সে সেমিফাইনালে জায়গা করে নিয়ে ইউরোপীয় ফুটবলের গভীরতা প্রমাণ করেছে। শেষ পর্যন্ত নিউইয়র্কের মেটলাইফ স্টেডিয়ামে বিশ্ব দেখেছে ইউরোপের সেরা স্পেন ও লাতিন আমেরিকার সেরা আর্জেন্টিনার মধ্যকার এক ধ্রুপদি ফাইনাল।
তবে মাঠের বাইরেও আলোচনার কমতি ছিল না। ইরান দলকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ও নিরাপত্তানীতি নিয়ে বিতর্ক, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হস্তক্ষেপে যুক্তরাষ্ট্রের এক খেলোয়াড়ের লাল কার্ড প্রত্যাহারের ঘটনা, ভিএআর ও রেফারিংয়ের বিতর্কিত সিদ্ধান্ত, অসহনীয় তাপপ্রবাহ, বজ্রঝড়,বৃষ্টিতে ম্যাচের সূচি বিঘ্নিত হওয়া, এমনকি আকাশছোঁয়া টিকিটমূল্য, সব মিলিয়ে এই বিশ্বকাপ ফিফার আয়োজন ও ব্যবস্থাপনা নিয়েও বহু প্রশ্ন রেখে গেছে। ফুটবল যেমন বিশ্বকে এক করেছে, তেমনি আবার মনে করিয়ে দিয়েছে, বিশ্বকাপ এখন আর শুধু ক্রীড়া নয়; এটি রাজনীতি, অর্থনীতি, প্রযুক্তি ও বৈশ্বিক বাণিজ্যেরও বিশাল মঞ্চ।
ছবি: বিশ্বকাপে ফিফা ও ট্রাম্পের ভূমিকা নিয়ে এবার সবচেয়ে বেশি সমালোচনা হয়েছেতবু এসব বিতর্ক ছাপিয়ে শেষ পর্যন্ত জয় হয়েছে ফুটবলেরই। তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে ইংল্যান্ড ও ফ্রান্স মিলিয়ে ১০ গোলের অবিশ্বাস্য লড়াই বিশ্বকাপ ইতিহাসের অন্যতম রোমাঞ্চকর ব্রোঞ্জ ফাইনাল হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে। ব্যক্তিগত নৈপুণ্যেও ছিল গোলের বন্যা। কিলিয়ান এমবাপে ১০ গোল করে গোল্ডেন বুট জিতেছেন, লিওনেল মেসি করেছেন ৮ গোল, জুড বেলিংহ্যাম ও আরলিং হালান্ড ৭ গোল, হ্যারি কেইন ও উসমান দেম্বেলে ৬ গোল, মিকেল ওইয়ারসাবাল ৫ গোল করে নিজেদের ছাপ রেখেছেন। একই সঙ্গে এই বিশ্বকাপ হয়ে রইল একটি প্রজন্মের বিদায়ের মঞ্চও। ৩৯ বছর বয়সী লিওনেল মেসি, ৪১ বছর বয়সী ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো, ক্রোয়েশিয়ার কিংবদন্তি লুকা মদ্রিচ এবং পোল্যান্ডের রবার্ট লেভানডোভস্কির মতো তারকাদের জন্য এটিই ছিল সম্ভবত শেষ বিশ্বকাপ। একদিকে নতুন নক্ষত্রদের উত্থান, অন্যদিকে কিংবদন্তিদের বিদায়—এই আবেগঘন সংমিশ্রণই ২০২৬ সালের বিশ্বকাপকে কেবল একটি টুর্নামেন্ট নয়, বরং ফুটবল ইতিহাসের এক যুগসন্ধিক্ষণ হিসেবে স্মরণীয় করে রাখবে।
তবে ২০২৬ সালের বিশ্বকাপের সবচেয়ে বড় শিক্ষা পরিসংখ্যানের বাইরে। এটি দেখিয়ে দিয়েছে, ফুটবল এখন আর ইউরোপ ও দক্ষিণ আমেরিকার একচেটিয়া সম্পদ নয়। উন্নত একাডেমি, বৈজ্ঞানিক প্রশিক্ষণ, আন্তর্জাতিক লিগে খেলার সুযোগ এবং প্রবাসী ফুটবলারদের সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে আফ্রিকা, এশিয়া ও ছোট দেশগুলোও এখন বিশ্ব ফুটবলের কেন্দ্রীয় চরিত্র হয়ে উঠছে। ৪৮ দলের বিশ্বকাপ নিয়ে যে সংশয় ছিল, তা অনেকটাই দূর হয়েছে। বরং এই সম্প্রসারণ বিশ্ব ফুটবলকে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক করেছে, জন্ম দিয়েছে নতুন নায়ক, নতুন গল্প এবং নতুন স্বপ্নের।
তবে বিশ্বকাপের এই উচ্ছ্বাসের আরেকটি বেদনাদায়ক দিকও আছে। প্রায় ১২ হাজার কিলোমিটার দূরের একটি টুর্নামেন্টকে ঘিরে বাংলাদেশে যে উন্মাদনা তৈরি হয়, তা অনেক সময় আনন্দের সীমা ছাড়িয়ে সহিংসতায় রূপ নেয়। ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর দেওয়া তথ্যমতে, বিশ্বকাপ ঘিরে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন অপ্রীতিকর ঘটনায় অন্তত ১০ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। গভীর রাতে হাজার হাজার মানুষের ঢল, ছাদে বা গাছে ঝুলে খেলা দেখা এবং বিশাল পতাকা ওড়ানোর মতো দৃশ্য একদিকে যেমন মুগ্ধ করে, অন্যদিকে কিছু বেদনাদায়ক প্রশ্নও জন্ম দেয়। যে দেশ কখনো বিশ্বকাপ খেলেনি, সেখানে কেন খেলাকে কেন্দ্র করে মানুষের প্রাণ যায় কিংবা বিশ্ববিদ্যালয় ভাঙচুর হয়?
ছবি: বিশ্বকাপে বাংলাদেশী সমর্থকদের উচ্ছাস নজর কেড়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমেরওফুটবলের আসল শক্তি মানুষকে একত্র করা। বিভাজন নয়, সংহতিই এই খেলার সৌন্দর্য। বিশ্বকাপ শেষ হয়ে যায় এক মাসে, কিন্তু একটি প্রাণহানি কিংবা একটি পরিবারের অপূরণীয় ক্ষতি থেকে যায় সারাজীবন। তাই ফুটবলের প্রতি ভালোবাসা অবশ্যই থাকুক, কিন্তু সেই ভালোবাসা যেন কখনো মানুষের জীবনের চেয়ে বড় হয়ে না ওঠে। সেটিই হোক ২০২৬ সালের বিশ্বকাপ থেকে আমাদের সবচেয়ে বড় শিক্ষা।
বিশ্বকাপের শেষ বাঁশি বাজতেই যখন স্টেডিয়ামের আলোগুলো একে একে নিভে আসে, বিজয়ীর উল্লাস ধীরে ধীরে মিলিয়ে যায় আর গ্যালারির রঙিন পতাকাগুলো গুটিয়ে নেওয়া হয়, তখন এক অদ্ভুত শূন্যতা নেমে আসে। যেন এক মাসের একটি উৎসব হঠাৎ করেই শেষ হয়ে গেল। আগামীকাল থেকে আর রাত জেগে ম্যাচ দেখার তাড়া থাকবে না, প্রিয় দলের সম্ভাব্য একাদশ নিয়ে তর্ক হবে না, অফিসে কিংবা চায়ের আড্ডায় আগের রাতের গোল নিয়ে উত্তপ্ত বিতর্কও থাকবে না। ফুটবলের এই মহোৎসব শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের দৈনন্দিন জীবনের সেই পরিচিত একঘেয়েমিও আবার ফিরে আসবে।
বাংলাদেশের মতো দেশে এই শূন্যতা হয়তো আরও গভীর। এখানে মানুষের জীবনে নির্মল বিনোদনের সুযোগ সীমিত, অবকাশের পরিসর সংকুচিত, আর প্রতিদিনের জীবনযুদ্ধের চাপ ক্রমেই বেড়ে চলেছে। বিশ্বকাপ তাই কেবল একটি ক্রীড়া প্রতিযোগিতা নয়; এটি কোটি মানুষের জন্য কয়েক সপ্তাহের এক সম্মিলিত স্বপ্ন, আনন্দ আর সাময়িক মুক্তির নাম। এই সময়টাতে মানুষ অন্তত কিছুক্ষণের জন্য দ্রব্যমূল্যের চাপ, যানজট, রাজনৈতিক অস্থিরতা কিংবা ব্যক্তিগত দুশ্চিন্তা ভুলে থাকতে পারে। একটি গোলের উল্লাসে অপরিচিত মানুষও একে অপরকে জড়িয়ে ধরে, একটি জয়ের আনন্দে মহল্লা মুখর হয়ে ওঠে, একটি পরাজয়ে একসঙ্গে দীর্ঘশ্বাস ফেলে লাখো মানুষ। বিশ্বকাপ শেষ হয়, ট্রফি নতুন ঠিকানায় যায়; কিন্তু যে কয়েক সপ্তাহ মানুষকে একই আবেগের সুতোয় বেঁধে রাখে, সেই স্মৃতিগুলো অনেক দিন বেঁচে থাকে। হয়তো আগামীকাল থেকেই আমরা আবার আমাদের চিরচেনা ব্যস্ত, ক্লান্ত ও বিষণ্ন জীবনে ফিরে যাব। তবু এই এক মাসের উন্মাদনা মনে করিয়ে দেয়, মানুষ শুধু রুটি,রুজির জন্য বাঁচে না; মানুষ বাঁচে স্বপ্ন, আবেগ, গল্প আর কিছু অবিস্মরণীয় মুহূর্তের জন্যও।
মন্তব্য করুন

